Building Scholar Through providing materials

জানুয়ারি 30, 2013 § মন্তব্য দিন

A plan for all the Muslim Youth around the world. It can be a way to develop the quality of Muslim youth to challenge the JAHILIA. My plan is to create a network of Muslim youth of the world and a platform were all bothers can have an opportunity to be a qualified scholar. But it’s not easy as we can say. A long way we have to go to reach our destination. My plan can be helpful to see it in reality. Firstly I wanna create a magazine which is open to all kinds of people to read and write. It can be in online only. This Magazine will not be as usual we can see. Here the first difference is the our objectives. The Magazine is not all . And the writing style will not be same off course. Here we will write book review explaining chapter by chapter as a brief and will have essential statement and information with reference aiming the reader to be able to realize the books as he is reading that book and make him capable to write on it in future as a writer.

My thoughts is given below…

  • Book Review
  1. Most influential classical books
  2. Most influential historical books
  3. Recent books
  • Research findings review
  1. Recent Research
  2. Most influential or essential research
  • Article review
  1. Recent Influential & essential Articles
  2. Historical Articles
  • Newspaper Review

Source Development

জানুয়ারি 30, 2013 § মন্তব্য দিন

rrfoundation.com

http://www.social-europe.eu/2013/01/does-the-richness-of-the-few-benefit-us-all/

https://strikingpoverty.worldbank.org/

http://www.chomsky.info/articles/20120903.htm

http://www.tariqramadan.com/spip.php?article12698
ড. পিটার কাস্টার্স: গবেষক, বাংলাদেশ বিশেষজ্ঞ।
প্রফেসর অ্যানেমারি শিমেলের দশম মৃত্যুবার্ষিকী। জার্মানির এই মহিলা মনীষী ইসলামের ওপর গবেষক এবং ইসলামি কবিতার অনুবাদক হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে বহুল পরিচিত ছিলেন। ড. শিমেল (১৯২২-২০০৩) ছিলেন অসাধারণ শিক্ষক ও বহু ভাষাবিদ। তিনি কথিত ওরিয়েন্টালিস্ট, বা ‘প্রাচ্যবিদ’দের মতো খৃষ্টবাদ ও ইহুদিবাদ প্রভুবিত ছিলেন না কিংবা বিভ্রান্তিপূর্ণ দৃষ্টিতে ও বৈরী উদ্দেশ্যে ইসলামকে কিংবা মুসলমানদেরকে দেখেননি। অ্যানেমারি শিমেল এ ধরনের বিভিন্ন ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্যে অনন্য।

তিন বছর পর পর জাতিসঙ্ঘের ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিলের (ইকোসোক) কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) এলডিসির শর্তগুলো পর্যালোচনা করে। ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি সর্বশেষ পর্যালোচনার পর ৪৮টি জাতিসঙ্ঘ সদস্যদেশকে এলডিসি বা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকাভুক্ত করা হয়।  এর মধ্যে এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় ১৪টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ হলো একটি। এ পর্যন্ত চারটি দেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে গেছে, যার মধ্যে ১৯৭৫ সালে সিকিম দখলের পর ভারতের সাথে একীভূত হয়ে গেলে দেশটি এ তালিকা থেকে প্রথম বাদ পড়ে যায়। ১৯৯৪ সালে বের হয় আফ্রিকান দেশ বৎসোয়ানা। ২০০৭ সালে বের হয় ক্যাপে ভারডে। আর সর্বশেষ ২০১১ সালে বের হয় মালদ্বীপ। এলডিসি থেকে উন্নয়ন ঘটলে একটি দেশ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের মর্যাদা পায়। ২০১১ সালের এলডিসি সম্মেলনে ইকুয়েটরিয়াল গিনি, সামোয়া, টুবালু ও ভানুয়াতুকে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করার পরামর্শ আসে। আগামী বছর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর পরবর্তী সম্মেলনে যেসব দেশের পদোন্নতি ঘটতে পারে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে তার মধ্যে বাংলাদেশও থাকতে পারে। বাংলাদেশ ক্রয়ক্ষমতার সমানুপাত বা পিপিপি বিচেনায় বিশ্বের ৪৪ তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। আর বিনিময় হার বিবেচনায় বৃহৎ অর্থনীতির ক্রমতালিকায় বাংলাদেশের স্থান ৫৭ নম্বরে। সর্বশেষ ২০১১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল বিনিময় হার অনুসারে ৮৪২ মার্কিন ডলার। এটাকে পিপিপি হিসেবে ফেললে দাঁড়াবে দুই হাজার ১৪৫ ডলারের মতো। ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরকে ভিত্তি বছর ধরে জাতীয় অর্থনীতির এ হিসাব করা হয়। এখন ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ভিত্তি বছর ধরে নতুন হিসাব করছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। নতুন হিসাব পদ্ধতি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। তবে আগামী অর্থবছরে নতুন ভিত্তি বছরের হিসাব প্রকাশ করা হতে পারে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর কারিগরি কমিটির এক সভায় খসড়া উপস্থাপন করা হয়েছে সম্প্রতি। এতে স্থূল দেশজ উৎপাদনের খাত থেকে বাদ পড়া বিভিন্ন ক্ষেত্রকে অন্তর্ভুক্ত করার পর জিডিপির আকার ১৫ শতাংশের মতো বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। ওই সভায় নতুন হিসাবকে আরো পর্যালোচনা করার জন্য বলা হয়েছে। পর্যালোচনার পর মাথাপিছু জাতীয় আয় কম হলেও ১০ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে। ফলে বিগত অর্থবছরে ১০ ভাগ আয় বাড়লে মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০১১-১২ অর্থবছরে উন্নীত হয়ে দাঁড়াবে ৯৩৩ ডলারে । এর সাথে সাড়ে ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির হিসাব যোগ করা হলে হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায় মাথাপিছু জাতীয় আয়
আরেক ধাপ এগিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর জানান, বাংলাদেশ ২০৫০ সাল নাগাদ চলে যাবে বিশ্বের উন্নত অর্থনীতির দেশের কাতারেসর্বশেষ আমেরিকান ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পত্রিকা জানিয়েছে, বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাদ দেয়ার জন্য উদ্যোগ নেয়া হতে পারে।

পানি বিশুদ্ধ করণের এক অভিনভ পদ্ধতি

ডিসেম্বর 14, 2011 § মন্তব্য দিন

‘বৈশিক জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময় নিরাপদ পানি সর্বরাহ করা একটি বিরাট সমস্যা। কিন্তু উন্নয়নশীল বিশ্ব যেখানে অবকাঠামোগত উন্নয়নে বড় ধরণের বিনিয়োগ সম্ভব নয় সেখানে নিরাপদ পানির সমস্যা আরও প্রকট’- ড.ডগলাস ক্রাওফর্ড-ব্রন।বিশ্বজুড়ে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন মানুষ নিরাপদ পানি থেকে বঞ্চিত। তাদের বেশিভাগই দূষিত খাল ও জলাশয় থেকে পানি সংগ্রহ করে যা তাদের স্বাস্থ্য ও জীবনকে ঝুকির মুখে ফেলছে। উন্নয়নশীল দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ(২.৬ বিলিয়ন) পর্যাপ্ত স্যানিটেসন সুবিধা পায় না। « Read the rest of this entry »

বায়োএনার্জি গবেষণায় ক্যামব্রীজ বিশ্ববিদ্যালয়

অক্টোবর 25, 2011 § মন্তব্য দিন

জীববিজ্ঞান ও প্রকৌশলবিজ্ঞান মিলে আগামী বিশ্বের শক্তির চাহিদা মেটাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত বায়োএনার্জি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস বলে বিবেচিত। গাছপালা পৃথিবীর অন্যতম প্রাকৃতিক শক্তির উৎস। তারা শুধু আমাদের খাদ্য সর্বরাহ করে তাই নয়, তারা আমাদের বিভিন্ন ধাতব ও বায়োপলিমার,যেমন রাবার, তৈরীর অন্যতম প্রধান উৎস। গাছপালা আমাদের ঔষধ শিল্পের প্রধান কাচামাল। কিন্তু বর্তমানে গাছপালাগুলো ক্রমবর্ধমানভাবে নবায়ন যোগ্য শক্তির উৎস হিসেবে কাজে লাগানো হচ্ছে। বৃক্ষ সালেকসংশ্লেসনের মাধ্যমে সূর্য্যের রেডিয়েশন নিয়ন্ত্রন করে। বৃক্ষ কার্বনডাইঅক্সাইড গ্রহনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে। বৃক্ষকে শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহার করলে তা পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলেনা। উল্লেখ্য অন্যান্য নবায়নযোগ্যশক্তির উৎস থেকে তরল জ্বালানী না পাওয়া গেলেও বায়োএনার্জি তরল অবস্থায় পাওয়া যায় যা ট্রান্সপোর্টের জন্য প্রয়োজন হয়। « Read the rest of this entry »

গাদ্দাফির প্রধান গোয়েন্দা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কারাবন্দীদের উপর অত্যাচার অভিযোগ

অক্টোবর 24, 2011 § মন্তব্য দিন

মুয়াম্মার গাদ্দাফির একজন প্রাক্তন প্রধান গোয়েন্দা কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ভাবে অনেক রাজনৈতিক কারাবন্দীর উপর নির্যাতন করেছিল। তার এ অমানবিক-পৈশাসিক অত্যাচারের অভিযোগ করেছেন একাধিক ব্যক্তি। সেই গোয়েন্দা কর্মকর্তা এ বছরের মার্চ মাসে ব্রিটেনে আত্মগোপন করেছে এমন তথ্য প্রকাশ করেছিল বিবিসি। তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে বিবিসি জানায় সে এখন কাতারের এক বিলাসবহুল হোটেলে অবস্থান করছে। « Read the rest of this entry »

ইরানে উড়ন্ত সাউসার ও নিজস্ব প্রযুক্তির ড্রোন প্রদর্শন

অক্টোবর 21, 2011 § ১ টি মন্তব্য

২০১০সালের আগস্ট মাসে ভয়েস অব আমেরিকা একটি সংবাদ প্রকাশ করেছিল।ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে ড্রোন বিমান তৈরী করেছিল বলে সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছিল। খবরে দেখানো হয় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ ইরানের প্রথম নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরী ড্রোন বিমানের উদ্ভোধন করছেন। কারার নামের এই ড্রোন শক্তিশালী মিসাইল বহন ও নিক্ষেপে সক্ষম। খবরে আরো জানানো হয় এই ড্রোন একহাজার কিলোমিটার দুরের লক্ষবস্তুতে নির্ভূল ভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। আহমাদিনেজাদ উদ্ভোধন কালে এটিকে ইরানের শত্রুদের মিত্যুর প্রতিক বলে দাবি করেন। ২০১০ সালের পর ইরান তাদের প্রযুক্তির উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এবারও বেশকিছু বিষ্ময়কর আবিস্কার প্রদর্শন করল। « Read the rest of this entry »